এক গত ফাল্গুনে ভবিষ্যৎ মহাকবির নৈবদ্য ছিলো ....
তার অশেষ যখন আজ মধ্যরাত্রে কোন বিমর্ষ কথামালার বিপরীতে দাড়ায় তখন সেটুকুই আশ্রয় সুতনুকার........
(কোন আইডিয়া ছাড়াই একটা গল্প শুরু হতে পারে-যেমন -কোন গন্তব্য ছাড়াই একজন মানুষ যেমন হাঁটে, চোখের তারায় তার ফাল্গুনী রোদ এভাবে)
তুই খুব লক্ষীছাড়া একটা মেয়ে কারন নিজেই লক্ষী হয়ে যাস, আমার হাতের মধ্যে নিভৃত যে গোপন আছে, যে ওম আমাদের শরীরে- ঐ দূর আকাশে গেঁথে দিয়ে গেছে যে আর একটি তারা, সেই নক্ষত্রটি মাথার ওপরে জ্বলতে থাকে - আজীবন, আমরা একজোড়া জ্যোতিষ্ক ছিলাম ভেসে ভেসে অন্ধকার মহাকাশে ঠোঁট রেখেছিলাম -গুজে দিয়েছিলাম মুখের ভেতর- জানিস , অনন্তকাল ধরে পৃথিবী অপেক্ষা করে ছিল সেই রমনটির জন্য , গতকাল ফাল্গুনের তৃতীয় রাত অবদি
প্রান্তিক
জা: বি:
৪ ফাল্গুন ১৪০৮
১১:১৪ পূর্বাহ্ন
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
আরো দূরে, অনেক অনেক দূরে, ঐযে দেখা যায় অবয়ব,
উত্তরমুছুনভালো করে চেয়ে দ্যাখো, একটা অস্পষ্ট, ধোঁয়াটে ছায়া,
ঠিক ঐখানে যেতে হবে আমাদের।
আরতো মাত্র খনিক পথ, এতটা এসেছো আর এতোটুকুন পারবে না?
চলো একটু দ্রুত পা চালাই......!
ঐখানের ঐ ছায়াটাই এতদিন আমাদের স্বপ্নকে ঘিরে উকি দিয়েছিলো বার বার।
ওটাকেই কাছে পাবো বলেই শুরু করেছিলাম এই যাত্রা তুমি আমি মিলে,
ওটা আর কিছু নয়, ওটা সুখ,
প্রাপ্তি আর ভালবাসার সমষ্টিতে গড়া আমাদেরই প্রেম,
আমাদের হৃদয় গাঁথা।